পৌষ সংক্রান্তিতে হিন্দু ধর্মাশ্রমে পিঠা উৎসবের সফল আয়োজন
এইদেশ-ডেস্ক, সোমবার, জানুয়ারি ২১, ২০১৩


পিঠা, পিঠা, পিঠা হরেক রকমের পিঠা, স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়, সেই সাথে পল্লীগীতি, লোকগীতির জম জমাট আসর।
গত ১৯ শে জানুয়ারী ২০১৩ ইং রোজ শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে হিন্দু ধর্মাশ্রম আয়োজিত পিঠা উৎসব। সর্বস্তরের বাঙ্গালী এই এতিহ্যবাহী পার্বণে অংশগ্রহন করেন। অংশগ্রহনকারীরা প্রায় সকলেই আগ্রহ ও আনন্দভরে বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরী করে এনেছিলেন যেমনঃ গকুল পিঠা, ক্ষির এবং নারিকেলের পাটি সাপটা, পুলি পঠা, দুধে ভিজানো চিতই পিঠা, মালপোয়া, পায়েস, গজা, চকোলেট, সিংগারা ইত্যাদি। ধর্মাশ্রমের পক্ষ থেকেও প্রচুর পিঠা তৈরী করা হয়। পিঠার স্বাদ পরীক্ষার পর্বটি পরিচালনা করেন শ্রী বিধান সাহা, সহযোগিতা করেন শ্রী অজিত ভাওয়াল। এসময়ে সকলের মাঝে বেশ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পৌষ সংক্রান্তির স্মৃতি বিজড়িত বাংলাদেশের দিনগুলোতে কিছুক্ষনের যেন হারিয়ে যান অনেকেই।
খুব মজাদার পিঠা খাওয়ার পর শুরু হয় দিনের দ্বিতীয় পর্ব- সংগীত সন্ধ্যা। এই পর্বে ছিলেন দুই সহোদরা অর্থাৎ নাচ ও গান। সাজিয়েছেন শ্রী মতি সুমী বর্মন।
পৌষের একটি সমবেত সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় গানের আসর "শুধু আনন্দ"। ছোট্ট মনি মম দাস খুব সুন্দর নৃত্য পরিবেশন করে সবাইকে আনন্দ দান করে। ব্যাকগ্রাউন্ড ভিডিও প্রর্দশনীর বিশেষ সংযোজনে ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পী আমাদের জয় দাস।
এরপর শুরু হয় পল্লীগীতি ও লোকগীতির আসর। সংগীত পরিবেশনায়- সুচন্দ্রিমা, ময়ুখ সাইদ, তনুকা সাইদ, আইরিন আলম, সুমিত্রা কর্মকার, সুমন সাইদ, ইন্দিরা সাহা, রবার্ট বৈদ্য, গৌরী ভৌমিক, জয় দাস প্রমুখ। তবলায় সহযোগিতা করেন রবার্ট বৈদ্য ও দেবাশীষ সাহা, শব্দ নিয়ন্ত্রনে চিত্ত ভৌমিক।
সকলেই উপভোগ করেন এই সংগীত সন্ধ্যা। সবশেষে ধর্মাশ্রমের সভাপতি শ্রী নেপাল রায় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং মন্দিরের সকল কর্মকান্ডে সকলকে সম্পৃক্ত থাকার আহ্বান জানান। পরিশেষে খিচুরী ও মচমচে আলুভাজা দিয়ে ঝালমুখ করলেন সকলে।
সমগ্র অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধানে-কার্যকরি কমিটি, ধর্মাশ্রম।